Showing posts with label অনুবাদ ও অনুষঙ্গ. Show all posts
Showing posts with label অনুবাদ ও অনুষঙ্গ. Show all posts

প্রেমচন্দ মুন্সী



প্রেমচন্দ মুন্সী
     বিংশ শতাব্দীর জনপ্রিয় হিন্দি ও উর্দু ভাষার অন্যতম সফল সাহিত্যিক মুন্সি প্রেমচাঁদ। মুন্সী প্রেমচাঁদ উর্দু ও হিন্দি সাহিত্যের স্বনামধন্য কথাশিল্পী। তার আসল নাম ধনপত রায়। তবে মুন্সী প্রেমচাঁদ নামেই তিনি অধিক পরিচিত। তাঁকে জীবনবাদী সাহিত্যিক বলা হয়। হিন্দি সাহিত্যে ‘উপন্যাস-সম্রাট’ হিসেবে খ্যাত প্রেমচাঁদকে আধুনিক হিন্দি সাহিত্যের জনক বলেও অভিহিত করা হয়। তাই অনেকেই তাঁকে হিন্দির বঙ্কিম বলেও অভিহিত করে থাকেন। 1910 সালে বড়ে ঘরকী বেটি প্রকাশিত হলে উর্দু সাহিত্যে তিনি স্থায়ী আসন লাভ করেন।1916 সালে প্রকাশিত তার সর্বশ্রেষ্ঠ উপন্যাস 'গোদান' । তাঁর প্রায় যাবতীয় সাহিত্যকর্ম বাংলা ও অন্যান্য ভাষায় অনূদিত হয়েছে
জন্ম:
     ১৮৮০ সালের ৩১ সে জুলাই উত্তর প্রদেশের বারানসীর নিকটবর্তী লমহী গ্রামে প্রেমচন্দ জন্মগ্রহণ করেন। পিতা আজায়ব রায় এবং মাতা আনন্দী দেবী। তাঁর পিতৃদত্ত নাম ছিল ধনপত রায় শ্রীবাস্তব। তাঁর কাকা নাম রাখেন নবাব রায়।  তবে তিনি প্রেমচন্দ নাম নিয়ে সাহিত্য জগতে প্রবেশ করেন  এবং এই নামেই সমধিক পরিচিতি লাভ করেন। 
সাহিত্য জীবন: 
    বহামীরপুর জেলার শিক্ষা বিভাগের সাব-ডেপুটি ইন্সপেক্টর হিসাবে সরকারী চাকুরি করার সময় উর্দু ভাষায় নবাব রায় ছদ্মনামে তাঁর প্রথম গল্প গ্রন্থ " সোজ-এ-ওঅতন"- ("দেশ মাতার বিষাদ সংগীত") প্রকাশিত হয়। এই গল্প গুলির মধ্যদিয়ে প্রেমচন্দ রাজনৈতিক স্বাধীনতার সংগ্রামে ভারতীয়দের অনুপ্রাণিত করতে চেয়েছিল। ব্রিটিশ সরকারের হুকুমে বইটি বাজেয়াপ্ত হয়। তিনি নবাব রায় নাম টি বর্জন করেন চির দিনের জন্য । 
উপন্যাস:
     কানপুরে "জমানা"পত্রিকার সম্পাদক দয়া নারায়ণ নিগমের সহায়তায় মুন্সি প্রেমচন্দ নামে লেখক হিসাবে প্রতিষ্ঠা লাভ করেন। প্রেমচন্দের প্রথম উপন্যাস উর্দু ভাষায় লেখা "আসরারে ময়াবিদ উর্ফ দেবস্থান রহস্য"।  উপন্যাসটি  'আওয়াজ-ই-খল্ক' নামে একটি সাপ্তাহিক পত্রিকায় ১৯০৩ খ্রিস্টাবের ৮ অক্টোবর থেকে ১৯০৫ খ্রিস্টাব্দের ১ ফেব্রুয়ারি  পর্যন্ত ধারাবাহিক ভাবে প্রকাশিত হয়। তাঁর দ্বিতীয় উপন্যাস 'হমখুর্মা ও হমসবাব'।  এই উপন্যাসটিই 'প্রেমা' নামে ১৯০ সালে হিন্দিতে প্রকাশিত হয়। ১৯১৮ খ্রিঃ 'সেবাসদন' প্রকাশিত হলে হিন্দি সাহিত্যে তিনি স্থায়ী আসন লাভ করেন। এর পর একে একে তাঁর বিখ্যাত সব উপন্যাস রচিত হতে থাকে। তাঁর উল্লেখযোগ্য উপন্যাস গুলি হল-  সেবা সদন(1918), বরদান(1912), প্রেমাশ্রম(1922), রঙ্গভূমি(1925), কায়া-কল্প (1926), নির্মলা(1928), গবন(1931), কর্ম-ভূমি(1932), গো -দান(1936) এবং একটি অসমাপ্ত উপন্যাস "মঙ্গল-সূত্র"
ছোটগল্প:
     ছোটগল্পকার হিসাবেও প্রেমচন্দ যথেষ্ট কৃতিত্ব দেখিয়েছে। উর্দু ভাষায় নবাব রায় ছদ্মনামে তাঁর প্রথম গল্প গ্রন্থ " সোজ-এ-বতন" ১৯০৭ সালে প্রকাশিত হয়। এই গল্পগ্রন্থের প্রথম গল্প 'দুনিয়া কা সবসে আনমোল রতন' তাঁর প্রথম হিন্দি গল্প 'সৌত' প্রকাশিত হয় ১৯১৫ সালে। 
* প্রেমচন্দের বেশির ভাগ গল্পে নিম্ন-মধ্যবৃত্ত সাধারণ মানুষের কাহিনি চিত্রিত হয়েছে। ডঃ কমলকিশোর গোয়েঙ্কা প্রেমচাঁদের সমগ্র গল্প "প্রেমচাঁদ গল্প রচনাবলী নামে প্রকাশ করেন প্রেমচন্দ প্রায় তিনশো টি গল্প লিখেছেন। সেগুলি গ্রন্থিত হয় প্রথম গল্প সংকলন "সোজ-এ-ওঅতন"  থেকে আরম্ভ করে হিন্দি "সপ্ত-সরোজ", "নও-নিধি, "বড়ে ঘর কী বেটী", " প্রেম-পচীশী", "প্রেম-প্রসূন", "প্রেমতীর্থ', "প্রেম-চতুর্থী ", "পঞ্চ ফুল", "অগ্নি-সমাধি", "সুপ্ত-সুমন", 'প্রেম -পঞ্চমী' প্রভৃতি গ্রন্থ এ। 
নাটক: 
     প্রেমচাঁদ বেশ কয়েকটি নাটকও লিখেছিলেন। সে গুলি হল 'সংগ্রাম'(১৯২৩), কর্বলা(১৯২৪), প্রেম কি দেবী(১৯৩৩), 'তজুর্বা, 'রুহানী সাদি' প্রভৃতি। তবে গল্পকার ও ঔপন্যাসিক হিসাবে তিনি যতটা সফল্য অর্জন করতে পেরেছিলেন  নাট্যকার হিসাবে তিনি ততটা সাফল্য পান নি 
প্রবন্ধ:
     প্রেমচন্দ কেবল একজন অনুভুতিশীল সফল গল্পকারই ছিলেন না, তিনি কয়েকটি পত্রিকাও সম্পাদনা করেছিলেন। তিনি 'হংস', 'মাধুরী', 'জাগরণ' প্রভৃতি পত্রিকার সম্পাদনা করেছিলেন।  তারপর অন্যান্য  ককিছু সহযোগী সাহিত্য পত্রিকা 'চাঁদ ',' মর্যাদা ','স্বদেশ' প্রভৃতি তে তার সাহিত্যিক ও সামাজিক ভবনা প্রবন্ধের মাধ্যমে  প্রকাশ ঘটান। প্রেমচন্দের লেখা কয়েকটি প্রবন্ধ গ্রন্থ হল 'কুচ বিচার',  'কলম ত্যাগ অর তলবার'। তাঁর জনপ্রিয় প্রবন্ধগুলি সাহিত্যের উদ্দেশ্য, পুরাতন সময় নতুন যুগ, স্বরাজের সুবিধা, কাহিনি কলা, হিন্দি-উর্দু ঐক্য, মহাজনী সভ্যতা , উপন্যাস, জীবনে সাহিত্যের স্থান প্রভৃতি।
অনুবাদগ্রন্থ:
     প্রেমচাঁদ সফল অনুবাদকও ছিলেন। তিনি  লিও টলস্টয়, অস্কার ওয়াইড, চার্লস ডিকেন্স,  প্রভৃতির দ্বারা প্রভাবিত হয়ে অনুবাদ কর্মে প্রবৃত্ত হন। প্রেমচন্দের অনূদিত গ্রন্থ গুলি হল---
১) 'অহংকার' (আনাতোল ফ্রঁস এর 'Thaïs ' অনুবাদ)
২) 'আজাদ কথা' (রতন নাথ ধর সারশার এর 'ফাসানা-ই আজাদ' এর অনুবাদ )
২) 'প্রভাত যাত্রা' (রতন নাথ ধর সারশার এর 'সার-ই-কশর' এর অনুবাদ)
৩) রুপোর বাক্স (The Silver Box -John Galsworthy)
৪) 'ধর্মঘট' (Strife-John Galsworthy)
৬) 'ন্যায়' (Justice - John Galsworthy)
৭) সুখদাস (Silas Marner - George Eliot)
৮) "টলস্টয়ের কাহিনী" (লিও টলস্ট)

সৌজন্যে : সাকসেস বাংলা

গি দ্য মোপাসাঁ



     যাঁকে আধুনিক ছোটগল্পের অন্যতম জনক মনে করা হয়, তিনি উনিশ শতকের বিখ্যাত ফরাসি কবি, গল্পকার ও ঔপন্যাসিক গি দ্য মোপাসাঁ। তাঁর পুরো নাম হেনরি রেইনে আলবার্ট গি দ্য মোপাসাঁ। চাতুর্যপূর্ণ গল্পের প্লট তার লেখার উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য। ১৮৮০ সালে একটি কাব্যগ্রন্থ 'De Ver' প্রকাশের মধ্যে দিয়ে তিনি সাহিত্যজগতে প্রবেশ করেন। ১৮৮০ সালেই প্রকাশিত হয় তাঁর প্রথম গল্প  "Boule de Suif". গল্পটি ফ্রাঙ্কো-প্রাশিয়ান যুদ্ধের পটভুমিতে লেখা হয়েছিল। ১৮৮১ সালে প্রকাশিত হয় তাঁর প্রথম গল্প সঙ্কলন " La Maison Tellier". ১৮৮৩ খ্রিঃ প্রকাশিত হত তাঁর প্রথম উপন্যাস" Une Vie".  এই উপন্যাসটি পরবর্তীকালে "A Woman's Life" নামে ইংরেজিতে অনূদিত হয়। এবং প্রকাশে এক বছরের মধ্যে ২৫০০০ কপি বিক্রি হয়। মোপাসাঁর দ্বিতীয় উপন্যাস " Bel Ami" প্রকাশিত হয় ১৯৮৫ সালে। ১৮৮৮ সালে প্রকাশিত হয় তার বিখ্যাত উপন্যাস "Pierre et Jean" 
     সাহিত্যের নানান ধারায় কাজ করলেও তিনি ছোটগল্পেরকার হিসবেই সবচেয়ে বেশি পরিচিত। তার গল্পে অতিবাস্তবতা, কল্পনা, অতিপ্রাকৃতিক, মনস্তাত্ত্বিক বিষয়সহ বিভিন্ন মানবিক সঙ্কটের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। ছোটগল্পকার হিসেবে যতটা সফল ছিলেন, ঔপন্যাসিক হিসাবে তিনি ততটা সফল হতে পারেননি। তিনি মাত্র এক দশক সাহিত্যচর্চার সুযোগ পান।  এই সংক্ষিপ্ত সময়ে তিনি প্রায় তিনশ ছোট গল্প, ছয়টি উপন্যাস, বেশ কিছু কবিতা এবং তিনটি ভ্রমণকাহিনী লেখেন।


একনজরে মোপাসাঁ'র রচনা সম্ভার
কাব্যগ্রন্থ
Des Vers (1880)

গল্প সঙ্কলন
1.La Maison Tellier (1881)
2.Mademoiselle Fifi (1883)
3.Contes de la Bécasse (1883)
4.Miss Harriet (1884)
5.Les Sœurs Rondoli (1884)
6.Clair de lune (1884)
7.Yvette (1884)
8.Contes du jour et de la nuit (1885)
9. Monsieur Parent (1886)
10.La Petite Roque (1886)
11.Toine (1886)
12.Le Horla (1887)
13.Le Rosier de Madame Husson (1888)
14.La Main gauche (1889)
15.L'Inutile Beauté (1890)

উপন্যাস
1.Une Vie (1883)
2.Bel-Ami (1885)
3.Mont-Oriol (1887)
4.Pierre et Jean (1888)
5.Fort comme la mort (1889)
6.Notre Cœur (1890)

ভ্রমণ কাহিনী
1.Au soleil (1884)
2.Sur l'eau (1888)
3.La Vie errante (1890)

আলোচক - সুশান্ত কর্মকার

উইলিয়ম শেক্সপীয়র জীবন ও সাহিত্য

উইলিয়ম শেক্সপীয়র জীবন ও সাহিত্য
----- রিক্ সরকার।।।

"ইংরেজি সাহিত্যের ইতিহাস"-- কথাটি  শোনামাত্রই প্রথমে যার ছবি আমাদের মনে ভেসে ওঠে তিনি হলেন উইলিয়াম শেক্সপীয়র। ইংরেজি সাহিত্যের এই উজ্জ্বল জ্যোতিষ্ক ১৫৬৪ সালের ২৩ এপ্রিল ইংল্যান্ডের ওয়ারউইকশায়ার (Wawickshire) -এর অ্যাভন নদীর তীরের ছোট্ট শহর স্ট্রাটফোর্ডে জন্মগ্রহণ করেন। জন শেক্সপীয়র এবং  মেরীর তৃতীয় সন্তান উইলিয়াম শেক্সপীয়র পড়াশুনা করার সুযোগ খুব অল্পই পেয়েছেন। গ্রামের স্কুলে কিছু ল্যাটিন ও অঙ্ক শিখেছিলেন মাত্র। এরপর সংসারের অবস্থা ক্রমশ খারাপ হতে থাকায় তাকে স্কুল ছেড়ে অর্থোপার্জনে মনোযোগী হতে হয়।
*  মাত্র অাঠারো বছর বয়সে তিনি অ্যান্ হ্যাথ্যাওয়েকে বিয়ে করেন, যিনি ছিলেন শেক্সপীয়রের থেকে বয়সে বেশ কয়েক বছরের বড়। এরপর তাঁদের তিন সন্তান হয় দুটি মেয়ে (সুসানা ও জুডিথ) এবং একটি ছেলে (হ্যামনেট)। শেক্সপীয়রের বিবাহিত জীবন খুব সুখের ছিল না। ধীরে ধীরে সংসারের চাপ বৃদ্ধি এবং অার্থিক টানাপোড়নের মধ্যে পড়ে ১৫৮৭ সালে পরিবারকে স্ট্রাটফোর্ডে রেখে অর্থোপার্জনের জন্য লন্ডনে আসতে বাধ্য হলেন। তাঁর জীবনের এই ঘটনাই যেন শাপে বর হল। জীবন যেন এখান থেকেই বাঁক নিল এক নতুন পথে, যে পথ বিশ্বসাহিত্যকে করল অালোকিত। লন্ডনে এসে তিনি রঙ্গমঞ্চে কাজ নিলেন। প্রথমে সহকারী হিসাবে কাজ করলেও ধীরে ধীরে  অভিনয় ও নির্দেশনার কাজ করতে লাগলেন। রঙ্গমঞ্চের মালিকের কথায় অভিনীত নাটকগুলির কিছু কিছু স্থানে নানান পরিবর্তন এবং নতুন কিছু সংযোজনেরর  মধ্যে দিয়েই শুরু হল তাঁর হাতেখড়ি। এরপর নিজেই নাটক লেখার কাজে হাত দিলেন এবং পরপর চারটি নাটক লিখেও ফেললেন। লন্ডনের রঙ্গমঞ্চগুলোতে তখন 'ইউনিভার্সিটি উইট্'স' নামে খ্যাত নাট্যকারদের রমরমা বাজার। তারা শেক্সপীয়রকে ভালো চোখে নিলেন না। তাদের মধ্যে কেও কেও তো শেক্সপীয়রকে চুড়ান্ত অপমান করতেও ছাড়লেন না।অনেকে এই বলেও অপমান করলেন যে- একজন সাধারণ অভিনেতার অাবার নাটক লেখার দুঃসাহস কবে হলো! তবে এইসমস্ত অপমান শেক্সপীয়রকে দমিয়ে রাখতে পারে নি। প্রতিভার বিকাশকে যে কোন বাধায় অাটকে রাখতে পারে না শেক্সপীয়র তার জ্বলজ্বলন্ত প্রমান।
* যাইহোক এরপর শেক্সপীয়রকে আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। 'লর্ড চেম্বারলেনস মেন' ও 'কিংস মেন' নামক দুটি বিখ্যাত নাট্যসংস্থায় তিনি অভিনয় করার সুযোগ পান। তাঁর অার্থিক সচ্ছলতা ফিরে আসে। শেক্সপীয়রের নাটক অভিনীত হতে থাকে লন্ডনের রঙ্গমঞ্চগুলোতে। ধীরে ধীরে তাঁর খ্যাতি লন্ডন পেরিয়ে ছড়িয়ে পড়ে সমস্ত বিশ্বে। শুধু নাট্যকার হিসাবেই নয় কবি হিসাবেও তিনি সুখ্যেতি অর্জন করেন। ১৬১০ খ্রি: শেক্সপীয়র লন্ডন ছেড়ে চলে আসেন নিজের জন্মভূমি স্ট্রাটফোর্ডে। তাঁর শেষ নাটকগুলি এখানে বসেই লেখা। ১৬১৬ খ্রি: ২৩ শে এপ্রিল মাত্র বাহান্ন বছর বয়সে তিনি মারা যান।
* সৃষ্টিকর্মঃ-   শেক্সপীয়র তাঁর সমগ্র জীবনে ৩৭ টি নাটক (যদিও তাঁর মোট নাটকের সংখ্যা নিয়ে যথেষ্ট মতভেদ রয়েছে) এবং ১৫৪ টি সনেট রচনা করেছেন।

তাঁর রচনাবলী---
প্রথম পর্ব:
ক. ঐতিহাসিক নাটক--
ষষ্ট হেনরি(Henry vi, 3 part ১৫৯১-৯২),
তৃতীয় রিচার্ড (১৫৯২-৯৩),
খ.ট্র্যাজেডি:
টাইটাস অ্যান্ড্রোনিকাস(১৫৯৪),
রোমিও অ্যান্ড জুলিয়েট(১৫৯৪),
গ. কমেডি:
দি কমেডি অফ এররস্(১৫৯৩),
টু জেন্টেলমেন অব ভেরোনা(১৫৯৪),
লাভ্স্ লেবারস লস্ট(১৫৯৪),
টেমিং অব দ্য শ্রু(১৫৯৪)
ঘ.আখ্যানধর্মী কাব্য:
ভেনাস এন্ড অ্যাডোনিস (১৫৯৩),
দি রেপ অব লুক্রিস(১৫৯৪),
দ্বিতীয় রিচার্ড (১৫৯৬),

দ্বিতীয় পর্ব:
ক. ঐতিহাসিক নাটক--
রাজা জন (১৫৯৬),চতুর্থ হেনরি(২ খন্ড ১৫৯৭-৯৮),পঞ্চম হেনরি(১৫৯৭-৯৮),জুলিয়াস সিজার(১৫৯৯)
খ. কমেডি:
এ মিড সামার নাইটস্ ড্রিম(১৫৯৬),
দি মার্চেন্ট অব ভেনিস(১৫৯৬),
দি মেরি ওয়াইভস্ অব উইন্ডসর(১৬০০),অ্যাজ ইউ লাইক ইট(১৬০০)
গ. কবিতা: -- সনেটগুচ্ছ (১৬০৯)

♦তৃতীয় পর্ব:
ক. ট্র্যাজেডি:
হ্যামলেট(১৬০১),ওথেলো(১৬০৪), কিং লীয়র (১৬০৫),ম্যাকবেথ(১৬০৬),অ্যান্টনি অ্যান্ড ক্লিওপেট্রা(১৬০৬-০৭)
খ.কমেডি:
টুয়েলফথ্ নাইট(১৬০১),ট্রয়লাস অ্যান্ড ক্রেসিডা(১৬০২),অলস্ ওয়েল দ্যাট এণ্ডস্ ওয়েল(১৬০২),মেজার ফর মেজার(১৬০৪)।
♦চতুর্থ পর্ব:
ক. ঐতিহাসিক নাটক--
করিওল্যানাস(১৬০৩),টিমন অব এথেন্স(১৬০৮),পেরিক্লেস (১৬০৮),অষ্টম হেনরি(১৬১২)
খ.কমেডি:
সিমবেলিন (১৬১০), দ্য উইন্টার্স টেল (১৬১০),দি টেমপেস্ট (১৬১১)"

[★ শেক্সপীয়র রচনাবলীর পুরোটা -'ইংরেজি সাহিত্যের ইতিহাস'-- কুন্তল চট্টোপাধ্যায়-এর   বই থেকে নেওয়া হয়েছে।।]

♦শেক্সপীয়রের বিভিন্ন নাটকের বাংলা অনুবাদ এবং তাঁর নাটকের প্রভাবপুষ্ট বাংলা রচনা---

১.দি টেমিং অব দি শ্রু ---- জামাই বারিক।

২.ওথেলো------  অশ্রুমতী।

৩.কিং রিচার্ড দ্য থার্ড --- জনা ও সীমান্ত।

৪.রিচার্ড দ্য সেকেন্ড ---- সিরাজদৌল্লা।

৫.জুলিয়াস সীজার----- মীরকাশিম।

৬.ম্যাকবেথ ---- তারাবাঈ।

৭.কিং লীয়র --- সাজাহান।

৮.মেজার ফর মেজার ---- আদর্শ বন্ধু।

৯. দ্য টেম্পেস্ট--- নলিনীবসন্ত।

১.০সিম্বেলিন----- সুশীলা বীরসিংহ।

১১.  দ্য উইন্টারস্ টেল----- মদনমঞ্জরী।

১২ অ্যাজ ইউ লাইক ইট---- অনঙ্গরঙ্গিনী।

১৩.  হ্যামলেট ---- চন্দ্রনাথ , কীর্তিবিলাস ও শর্মিষ্ঠা নাটকের ১ম দৃশ্য

১৪.  রোমিও জুলিয়েট ---- বসন্তকুমারী।

১৫.  দি মার্চেন্ট অব ভেনিস--- সুরলতা।

১৭.অ্যান্টনী ক্লিওপেট্রা, ম্যাকবেথ, রোমিও জুলিয়েট -------- রাজা ও রাণী।।

♦গ্রন্থঋন/তথ্যসূত্র --

★-'ইংরেজি সাহিত্যের ইতিহাস'-- কুন্তল চট্টোপাধ্যায়

★-'ইংরেজি সাহিত্যের ইতিহাস'-- বিজিত ঘোষ।

★'ইংরেজি সাহিত্যের ইতিহাস'--ড.সুনীল কুমার সরকার।

★'প্রসঙ্গ ইংরেজি সাহিত্যের ইতিহাস'--ড.নীরদবরণ হাজরা।

★ গ্রুপ আলোচনা।

♦আলোচক -- রিক্ সরকার।

বাংলা সাহিত্যে নতুন দিগন্ত : অনুবাদ ও অনুষঙ্গ ( সংক্ষিপ্ত)


আন্তর্জাতিক সাহিত্যিক :

শেকসপিয়র (১৫৬৪ - ১৬১৬) : ইংল্যান্ডের 'জাতীয় কবি' এবং 'বার্ড অফ অ্যাভন' নামে অভিহিত কবি ও নাট্যকার ৩৮ টি নাটক,  ১৫৪টি সনেট এবং দুটি আখ্যান কবিতার রচয়িতা। 'হেমলেট', 'কিং লিয়ার', 'ম্যাকবেথ' প্রভৃতি তাঁর বিয়োগান্তক নাটক। মিলনান্তক নাটকগুলির মধ্যে 'অলস ওয়েল দ্যাট এন্ডস ওয়েল', 'দ্য মার্চেন্ট অফ ভেনিস', 'দ্য টেম্পেস্ট' প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য। ১৬২৬ সালে তাঁর ৩৬টি নাটক নিয়ে ফার্স্ট ফোলিও প্রকাশিত হয়।

লিও টলস্টয় : রুশ সাহিত্যিক টলস্টয়  ১৮২৮ সালের ৯ই সেপ্টেম্বর তুলা প্রদেশে জন্ম নেন। তাঁর লেখা দুটি অনবদ্য উপন্যাস 'যুদ্ধ ও শান্তি' (১৮৬২-৬৮) ও 'আন্না কারেনিনা' (১৮৭৮)। তাঁর অমর সাহিত্য 'দি কিংডম ওফ গড ইজ উইদিন ইয়ুথ' -এ যে অহিংস অসহযোগের ধারণা, তা থেকে গান্ধীজি, মার্টিন লুথার কিং প্রমুখ ব্যক্তিরা প্রভাবিত হয়েছিলেন৷

অ্যান্তন পাবলোভিচচেখভ : চিকিৎসক, ছোটগল্পকার ও নাট্যকার চেখভ দক্ষিণ রাশিয়ার তাগানরোগ নামক এলাকায়১৮৬০ সালের ২৯ শে জানুয়ারি জন্মগ্রহণ করেন। শুরুতে নাট্যকার হিসাবে আন্তর্জাতিক পরিচিতি পান 'থ্রি সিস্টারস', 'দি সীগাল' ও 'দি চেরি অরচার্ড' -এই তিনখানি নাটকের মাধ্যমে। উল্লেখযোগ্য আরেকটি নাটক 'আঙ্কল ভানিয়া'। ১৯০৪ সালের ১৫ই জুলাই জার্মানিতে যক্ষারোগে তাঁর মৃত্যু হয়।

মপাসাঁ : বিখ্যাত ফরাসি কবি, গল্পকার ও উপন্যাসিক গি দ্য মপাসাঁ ৫ই আগস্ট ১৮৫০ সালে জন্মগ্রহণ করেন এবং ৬ ই জুলাই ১৮৯৩ সালে মারা যান। ১৮৮০ সালে 'De Ver' কাব্যগ্রন্থ প্রকাশের মাধ্যমে সাহিত্য জগতে পদার্পন। তাঁর প্রথম বড়গল্প 'বুল দ্য সুইফ' -এ আছে যুদ্ধের পটভূমিকায় একজন বেশ্যার কাহিনি। তাঁর আরেকটি বিখ্যাত গল্প হল 'মাদমোয়াজেল ফিফি'। তাঁর প্রথম 'Un-rie' উপন্যাসটি সরকারি রোষানলের শিকার হয়। ১৮৮৫ সালে রচনা করেন তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস 'বেল আমি'।

গ্যোয়েট : মাইকেল গ্যোয়েট ১৯৫৯ সালে ইংল্যান্ডে জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৯৮৯ সালে মারা যান। তাঁর প্রথম ও জনপ্রিয় উপন্যাস 'Messiah'।

পাবলো নেরুদা : পাবলো নেরুদা ছদ্মনামধারী চিলিয়ান কবি ও রাজনীতিবিদের জন্ম  ১৯০৪ সালের ১২ ই জুলাই। প্রকৃত নাম 'নেফতালি রিকার্দো রেয়েস বাসোয়ালতো'। সাহিত্যকর্মে একদিকে যেমন লিখেছেন 'টোয়েন্টি পোয়েমস অফ লাভ অ্যান্ড আ সং অফ ডেসপায়ার' এর মতো কামোদ্দীপক কবিতা, তেমনি রচনা করেছেন পরাবাস্তব কবিতা, ঐতিহাসিক মহাকাব্য, এমনকি প্রকাশ্য রাজনৈতিক ইস্তাহারও। ১৯৭১ সালে তাঁকে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার দেওয়া হয়। কলম্বিয়ান গাব্রিয়েল গারসিয়া মার্কেজ তাঁকে 'বিংশ শতাব্দীর সকলভাষার শ্রেষ্ঠ কবি' বলে অভিহিত করেছেন। ১৯৭৩ সালের ২৩শে অক্টোবর তাঁর মৃত্যু হয়।

গাব্রিয়েল গারসিয়া মার্কেজ :  ১৯২৮ সালের ৪ই মার্চ কলম্বিয়ার আরাকাতাকায় জন্ম। প্রথম উপন্যাস 'লা ওহারাস্কা' (লীফ্ স্টর্ম) (১৯৫২)। বিখ্যাত গল্প সংকলন 'দসে সুয়েন্তাস পেরেপ্রিনোস'। ১৯৬৮ সালে প্রকাশিত 'আন সিনার ম্যু ভাইজো কন আনাস এলাস ইনর্মস' -এর বাংলা অনুবাদ 'এই শহরে কোনো চোর নেই ও অন্যান্য গল্প'। অনুবাদক মানবেন্দ্র মুখোপাধ্যায়। ১৯৮২ সালে মার্কেজ সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পান।

ল্যাংস্টন হিউজ : জেমস মার্সার ল্যাংস্টন হিউজ আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের জপলিনের মিসৌরিরে ১৯০২ সালে জন্মগ্রহণ করেন এবং ৬৫ বছর বয়সে নিউইয়র্কে ১৯৬৭ সালে পরলোক গমন করেন। জাতিবিদ্বেষের উপরে বিশেষত কালো নিগ্রিটো জাতির পক্ষে কলম ধারণ করে কবিতা, ছোটগল্প, উপন্যাস ও প্রবন্ধ রচনা করেন। তাঁর প্রথম কবিতা 'The Negro Speaks Rivers'। তাঁর প্রথম ছোটগল্প সংকলন ' The Ways of White Folks'।

আর্নেস্ট হেমিংওয়ে (২১শে জুলাই ১৮৯৯ - ২রা জুলাই ১৯৬১): মার্কিন সাহিত্যিক ও সাংবাদিক আর্নেস্ট মিলার হেমিংওয়ে উপন্যাস ও ছোটগল্পকার হিসাবে ১৯৫৪ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার এবং ১৯৫৩সালে পুলিৎজার পুরস্কার লাভ করেছিলেন।

টি.এস. এলিয়ট : বহুমুখী প্রতিভাধর কবি এলিয়ট ১৮৮৮ সালের ২৬ শে আগস্ট যুক্তরাষ্ট্রের শিল্পনগরী মিসৌরির সেন্ট লুইসেন্স জন্মগ্রহণ করেন। এলিয়টকে বলা হয় 'কবিদের কবি' তাঁর সবচেয়ে সাড়াজাগানো কাব্যগ্রন্থ হলো 'ট্র্যাডিশন এন্ড দি ইনডিভিজুয়্যাল ট্যালেন্ট'। ১৯৪৮ সালে তিনি সাহিত্যে নোবেল ও অর্ডার অফ মেরিট পুরস্কারে ভূষিত হন।

To See The Original Post Click Here

তথ্য সংগ্রহ : সঞ্জিত রায়
অ্যাডমিন, সাকসেস বাংলা

বাংলা সাহিত্যে নতুন দিগন্ত : অনুবাদ ও অনুষঙ্গ ( সংক্ষিপ্ত)



ভারতীয় সাহিত্যিক :

কালিদাস : দ্বিতীয় চন্দ্রগুপ্ত বা বিক্রমাদিত্যের 'নবরত্ন' সভার শ্রেষ্ঠ রত্ন কালিদাস চতুর্থ থেকে পঞ্চম শতকের মাঝামাঝি সময়ে জীবিত ছিলেন। তিনি তিনটি নাটক ও তিনটি মহাকাব্য রচনা করেন। নাটকগুলি হল - 'মালবিকাগ্নিমিত্র' 'অভিজ্ঞান শকুন্তলা' ও 'বিক্রমোর্বশী'। মহাকাব্য তিনটি হল - 'মেঘদূত' 'কুমারসম্ভব' ও 'রঘুবংশ'।

শূদ্রক : খ্রীষ্টপূর্ব দ্বিতীয় শতাব্দী থেকে খ্রীষ্টীয় পঞ্চম শতাব্দীর মধ্যে বর্তমান ছিলেন বলে অনুমেয়। বিদ্যাসাগরের মতে, বিক্রমাদিত্যের পূর্ববর্তী সময়ের নাট্যকার শূদ্রক। তাঁর লেখা গ্রন্থটির নাম 'মৃচ্ছকটিক'। মূলকাহিনিটি চারুদত্ত নামের এক সম্ভ্রান্ত অথচ দরিদ্র ব্রাহ্মন যুবককে কেন্দ্র করে, যিনি বসন্তসেনা নামে এক বারাঙ্গনার দ্বারা প্রণয়াসক্ত হন। পারস্পরিক অনুরাগ থাকা সত্ত্বেও তাদের ভালবাসা ও বাসস্থান দুই -ই পথে বসে সমস্থানিক নামে এক কামাতুর রাজসভাসদের চাতুর্যে।

কবীর (১৪৪০ - ১৫১৮) : কাশীর নিকটে লাহারতারায় (বর্তমানে বারাণসীতে) তাঁতি কবি ও অতীন্দ্রিয়বাদী সন্ত কবীরের জন্ম। তাঁর রচনা ভক্তি আন্দোলনকে গভীরভাবে প্রভাবিত করেছিল।

ইকবাল : সুন্নি ধারার কবি, রাজনীতিবিদ ও দার্শনিক আল্লামা মুহম্মদ ইকবাল ১৮৭৭ সালে পাঞ্জাবের শিয়ালকোট জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর ফার্সি ও উর্দু কবিতা এযুগের ফার্সি ও উর্দু সাহিত্যে অন্যতম শ্রেষ্ঠ রচনা। দ্বিজাতি তত্ত্বের ভিত্তিতে পাকিস্তান রাষ্ট্রের সৃষ্টি ইকবালের চিন্তা -দর্শনের প্রভাব।

ভানুভক্ত : নেপালের আদি কবি ভানুভক্ত ১৮১৪ সালের ২৯ শে আষাঢ় চুন্ডিরাঙ্গা গ্রামে ধনী ব্রাহ্মন বংশে জন্ম নেন। তিনি নেপালি ভাষায় বহু কবিতা লেখেন এবং নেপালি ভাষায় বাল্মীকি রামায়ণ অনুবাদ করে দেশবাসীকে কাব্যরসে অবগাহন করান। তাঁর একটি বিখ্যাত পদ - '....কুয়া খনাও / ঘাশী দরিদ্র ধরবো / তর বুদ্ধি কস্তো / ম ভানুভক্ত ধনী ভৈখন / আজ এস্তো ...'

অমৃতা প্রীতম : পাঞ্জাবের গুজরানওরালায় ১৯১৯ সালের ৩১ শে আগস্ট লেখিকার জন্ম এবং  ২০০৫ সালের ৩১ শে অক্টোবর দিল্লিতে মৃত্যু। তাঁর কবিতা - গদ্য - আত্মজীবনীর মূলসুর ভারত বিভক্তি, নারী ও স্বপ্ন। তিনি "অজ্জুআখাঁ ওয়ারিস শাহ নূ" নামে একটি বিষাদধর্মী কবিতায় ভারত বিভক্তির বিপর্যয়ের ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তাঁর "পিঞ্জর" নামক বিখ্যাত উপন্যাসে নারী অস্তিত্ববাদের মূর্ত প্রতীক 'পারো' নামক স্মরণীয় চরিত্র নির্মাণ করেন। ২০০৩ সালে "পিঞ্জর" হিন্দি চলচিত্রায়িত হয়। ১৯৫৬ সালে "সুনেহা" নামক দীর্ঘ কবিতার জন্য সাহিত্য অ্যাকাডেমি এবং "কাগজ তে ক্যানভাস" উপন্যাসের জন্য জ্ঞানপীঠ পুরস্কার লাভ করেন। ১৯৬৯ সালে পদ্মশ্রী, ২০০৪ সালে পদ্মবিভূষণ ও সাহিত্য অ্যাকাডেমি ফেলোশিপ লাভ করেন।

প্রেমচাঁদ : 'জীবনবাদী' সাহিত্যিক ও হিন্দি সাহিত্যে 'উপন্যাস সম্রাট' মুন্সী প্রেমচাঁদ ১৮৮০ সালের ৩১ শে জুলাই উত্তরপ্রদেশে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর আসল নাম "ধনপত রায়"। 1909 সালে বঙ্গভঙ্গ আন্দোলন বিষয়ে একটি উপন্যাস লেখার কারণে সরকারের রোষানলে পড়লে তিনি নাম পরিবর্তন করে 'প্রেমচন্দ' ছদ্মনাম গ্রহণ করেন। ১৯১০ সালে "বড়ে ঘরকী বেটি" প্রকাশিত হলে উর্দু সাহিত্যে স্থায়ী আসন লাভ করেন। তাঁর সর্বশ্রেষ্ঠ উপন্যাস "গোদান"। সদগতি, কাফন প্রভৃতি তাঁর উল্লেখযোগ্য গল্প।

বিজয় তেন্ডুলকর : মারাঠী নাট্যকার বিজয় টেন্ডুলকরের জন্ম  ১৯২৮ সালের ৬ ই জানুয়ারী এবং মৃত্যু ২০০৮ সালের ৩১ শে মে। তাঁর বিখ্যাত নাটকগুলি হল - শান্ততা, কোর্ট চালু আহে, ঘাসিরাম কোতোয়াল, লাইসেন্স প্রভৃতি।

গোপীনাথ মহান্তি : ওড়িশা ভাষায় লেখা "পরজা" তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস। অনুবাদক -ভারতী নন্দী।

আইয়াপ্পা পানিকর : ১৯৩০ সালের ১২ ই সেপ্টেম্বর কেরালায় ব্রাহ্মন বংশে জন্ম এবং তিনি ইংরেজি বিষয়ের অধ্যাপক। 'কুরুক্ষেত্রম্', 'ডেজ অ্যান্ড নাইট' (দিন ও রাত্রি) প্রভৃতি তাঁর কাব্য সংকলন।

To See The Original Post Click Here

তথ্য সংগ্রহ : সঞ্জিত রায়
অ্যাডমিন, সাকসেস বাংলা।