Showing posts with label সাহিত্যিক. Show all posts
Showing posts with label সাহিত্যিক. Show all posts

বাংলা নাট্যসাহিত্যে দীনবন্ধু মিত্র

দীনবন্ধু মিত্র (1830 - 1873):
 
      দীনবন্ধুর প্রতিভা মূলত কমেডি লেখকের প্রতিভা।
প্রথম নাটক :  'নীলদর্পন' (1860) - ইংরেজি অনুবাদ -'The Indigo Planting Mirrors'
-এটি Uncle Toms Cabin এর ছায়া অবলম্বনে রচিত।  মূলচরিত্র :  আদুরী,  সাধুচরণ,  রাইচরণ,  তোরাপ  প্রমুখ।
দুটি কমেডি :  নবীন তপস্বিনী (1863),  কমলে কামিনী (1873)।
প্রহসন :  বিয়ে পাগলা বুড়ো (1866),  সধবার একাদশী (1866),  লীলাবতী (1867),  জামাই বারিক (1872)।
শ্রেষ্ঠ প্রহসন :  সধবার একাদশী (1866)। মূলচরিত্র :  নিমচাঁদ।
শেষ নাটক :  কমলে কামিনী (1873)।

আলোচক – সঞ্জিত রায়
অ্যাডমিন, সাকসেস বাংলা।

বাংলা নাট্যসাহিত্যে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর


 রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (1861 -1941):
 রবীন্দ্রনাটকের সূচনা গীতিনাট্যে আর সমাপ্তি নৃত্যনাট্যে।
 গীতি নাট্য :  রুদ্রচন্ড (1881),  বাল্মীকি প্রতিভা (1881),  কালমৃগয়া (1882),  প্রকৃতির প্রতিশোধ (1884),  মায়ার খেলা (1888)।
  কাব্যনাট্য ও নাট্যকাব্য :  রাজা ও রানী (1889),  বিসর্জন (1890),  মালিনী (1896),  গান্ধারীর আবেদন (1900),  কর্ণকুন্তী সংবাদ (1900),  নরকবাস (1900),  মুকুট (1908),  প্রায়শ্চিত্ত (1909)।
  কৌতুক_নাটক :  গোড়ায় গলদ (1882),  বৈকুন্ঠের খাতা (1897),  হাস্য কৌতুক (1907),  ব্যঙ্গ কৌতুক (1907),  চিরকুমার সভা (1924)।
  রূপক ও সাংকেতিক নাটক :  শারদোৎসব (1908),  রাজা (1910), অচলায়তন (1912), ডাকঘর (1912),  ফাল্গুনী (1916),  রক্তকরবী (1926),  মুক্তধারা (1923, 'পথ'),  কালের যাত্রা (রথের রশি)(1932)।
  সামাজিক নাটক :  শোধবোধ (1916),  গৃহপ্রবেশ (1925),  বাঁশরী (1933)।
নৃত্যনাট্য সমূহ : তাসের দেশ(নেতাজীকে,1933),  চিত্রাঙ্গদা (1936),  চন্ডালিকা (1937),  নটিরপূজা (1926),  শ্যামা (1939),  শাপমোচন (1939)।

আলোচক – সঞ্জিত রায় 
অ্যাডমিন,  সাকসেস বাংলা।

বাংলা নাট্যসাহিত্যে দ্বিজেন্দ্রলাল রায়


দ্বিজেন্দ্রলাল রায় (১৯ জুলাই ১৮৬৩ - ১৭ মে ১৯১৩)
    দ্বিজেন্দ্রলাল "আনন্দবিদায়" (1912) প্রহসনে রবীন্দ্রনাথকে ব্যক্তিগতভাবে আক্রমণ করে রুচিবান পাঠকদের কাছে নিন্দিত হন। 
 প্রহসনের_মধ্যদিয়ে_নাট্য_জগতে_আবির্ভাব :  কল্কি অবতার (1892),  বিরহ (1897),  ত্রহ্যস্পর্শ (1900),  প্রায়শ্চিত্ত (1902),  পুনর্জনম (1911)।
পৌরাণিক_নাটক :  পাষাণী (1900),  সীতা (1908),  ভীষ্ম (1914)।
সামাজিক_ও_পারিবারিক_নাটক :  পরপারে (1912),  বঙ্গনারী (1916)।
ঐতিহাসিক_নাটক :  তিনভাগে ভাগ করা যায় : যথা -
*রাজপুত ইতিহাসের কাহিনি :  তারাবাই (1903),  প্রতাপসিংহ (1905),  দূর্গাদাস (1905), মেবারপতন (1908)।
*মুঘল আমলের কাহিনি :  নূরজাহান (1908),  সাজাহান (1910)।
*হিন্দু আমলের কাহিনি :  চন্দ্রগুপ্ত (1911),  সিংহল বিজয় (1915)।।
আলোচক – সঞ্জিত রায় 
অ্যাডমিন,  সাকসেস বাংলা।

নাট্যসাহিত্যে মধুসূদন দত্ত


 মধুসূদন দত্ত (১৮২৮ - ১৮৭৩)

        আধুনিক রীতির নাটকের প্রথম পথ নির্মাণ করেন এবং পৌরাণিক ও ঐতিহাসিক নাটকের সূচনা করেন।
প্রথম নাটক :  শর্মিষ্ঠা (1859)-পৌরানিকনাটক।
  শেষ নাটক :  কৃষ্ণকুমারী (1861)-ঐতিহাসিকনাটক।
  পৌরাণিক নাটক :  শর্মিষ্ঠা (1859), পদ্মাবতী (1860)।
  দুখানি প্রহসন :  বুড়ো শালিকের ঘাড়ে রোঁ (1859, প্রথমে এর নাম ছিল 'ভগ্ন শিবমন্দির') এবং একেই কি বলে সভ্যতা (1860)।
  ঐতিহাসিক নাটক :  কৃষ্ণকুমারী (1861)

আলোচক – সঞ্জিত রায়
অ্যাডমিন, সাকসেস বাংলা।

বাংলা সাহিত্যে সত্যজিৎ


* সত্যজিৎ রায় প্রধানত চলচ্চিত্র পরিচালক  হিসাবে পরিচিত হলেও রবীন্দ্রনাথের মতো তিনিও ছিলেন বহুমুখি প্রতিভার অধিকারী। সত্যজিৎ রায় চলচ্চিত্রের মত সাহিত্য রচনায়ও সমান পারদর্শী ছিলেন।কিন্তু চলচ্চিত্রকার হিসেবে তাঁর অনবদ্য অবদান তাকে বিশ্বের অন্যতম সেরা করেছে। হয়তো এ কারনেই তাঁর সাহিত্য নিয়ে আলোচনা কম করা হয়।তাঁর সাহিত্যগুলো মূলত তার পিতামহ
উপেন্দ্রকিশোর রায় চৌধুরী প্রতিষ্ঠিত শিশুতোষ "সন্দেশ " পত্রিকার জন্য লেখা, যা পরবর্তীতে বই আকারেও বের হয়েছে। সত্যজিৎ এর লেখাগুলো ছিল প্রধানত কিশোর রচনা।তবে তা সব বয়সী পাঠকই পড়তেন এবং এখনো পড়েন। বাংলা সাহিত্যের অন্যতম সেরা গোয়েন্দা চরিত্র " ফেলুদা " সত্যজিৎ এর এক আশ্চর্য সৃষ্টি। এছাড়া তিনি বিজ্ঞানকল্পকাহিনীও লিখেছেন। এ ক্ষেত্রে তাঁর আরেকটি বিখ্যাত ও জনপ্রিয় চরিত্র " প্রফেসর শঙ্কু" যা শিশু থেকে বৃদ্ধ সকলের মন জয় করে নিয়েছে। তাঁর সৃষ্ট বিখ্যাত চরিত্রগুলির মধ্যে আর একটি বিখ্যাত চরিত্র তারিণী খুড়ো। যিনি নিজের জীবনের বিচিত্র অভিজ্ঞতার গল্প বলতে ভালোবাসেন। তাঁর অনেক গল্পই রোমাঞ্চকর ভুতের গল্পের মত। আবার অনেক গল্পে তাঁর উপস্থিত বুদ্ধি ও বিচক্ষণতার প্রমাণ পাওয়া যায়। "অনাথবাবুর ভয়" তাঁর একটি বিখ্যাত ভূতের গল্প।
* এছাড়া তিনি অনেক ছোটগল্পো লিখেছেন। "ক্লাস ফ্রেণ্ড" সত্যজিৎ রায়ের একটি অনবদ্য ছোটগল্পো। সত্যজিৎ রায় অনেক ছোট গল্প ইংরাজী থেকে বাংলা অনুবাদও করেন যেগুলি বেশীরভাগই রোমাঞ্চকর গল্প। যাদের মধ্যে কয়েকটি "ব্রাজিলের কালো বাঘ" বইটিতে প্রকাশিত হয়।
* সত্যজিৎ রায় বেশ কিছু কবিতা অনুবাদ করেন ও কয়েকটি
লিমেরিক রচনা করেন যেগুলির সংকলন - ' তোড়ায় বাঁধা ঘোড়ার ডিম' নামে প্রকাশিত হয়।
* মধপ্রাচ্যের মোল্লা নাসীরুদ্দীনের অনেকগুলি গল্প সংগ্রহ করে সত্যজিৎ রায় 'মোল্লা নাসীরুদীনের গল্প নামে' একটি সংকলন প্রকাশ করেন।
* উল্লেখ্য যে এসব বই এর প্রচ্ছদ এবং ভিতরের ছবি সব তাঁর নিজের হাতে আঁকা। চলচ্চিত্র নির্মান এবং শুটিং নিয়েও তিনি লিখেছেন কিছু বই। এগুলো হচ্ছে, " আওয়ার ফিল্মস,দেয়ার ফিল্মস", "বিষয় চলচ্চিত্র", " একেই বলে শুটিং " ইত্যাদি। এছাড়া নিজের ছেলেবেলা নিয়েও তিনি বই লিখেছেন, " যখন ছোট ছিলাম "।
* সত্যজিৎ রায় রবীন্দ্রনাথের মতই এক মহীরুহ। সেই মহীরুহের ডাল-পালা আর পাতার সংখ্যা গুনে শেষ করা যায় না। এই লেখায় আমি শুধু তাঁর কিছু তথ্য উপস্থাপন করেছি মাত্র।

আলোচক – সুশান্ত কর্মকার
অ্যাডমিন, সাকসেস বাংলা।
তথ্যসূত্র:
http://www.satyajitray.org/booksandvideo/books_by_ray.htm